২০২০ সালের Facebook marketing strategy এর ৭টি দুর্দান্ত ধাপ

আপনি হয়ত যানেনা আপনি যেই প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করছেন, সেসব প্রোডাক্ট অনেক কাস্টমাররা প্রতিনিয়ত খুঁজছে। তাও আবার কোথায় জানেন কি? ফেসবুকে! আর এইসব কাস্টমারদের সাথে সংযুক্ত হওয়ার একমাত্র রাস্তা হলো একটা স্মার্ট Facebook Marketing Strategy ।

ফেসবুক এখনো প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় অনলাইন প্লাটফর্ম। আর বেশির ভাগ মানুষই এটা প্রতিদিন ব্যবহার করে থাকে।

যার ফলে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং স্ট্রাটেজি এর মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ড ও ব্যবসাকে সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারবেন।

প্রায় সময় কাজ শুরু করা কঠিন হলেও, কিছু Strategy যদি আপনি কাজে লাগাতে পারেন তাহলে এটা আপনার কাছে অনেকটা সহজ হয়ে উঠবে।

এমন ৭টি Facebook marketing strategy নিয়ে আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব।

যেখান থেকে আপনি বুঝবেন যে ফেসবুক কতটা শক্তিশালী প্লাটফর্ম আপনার ব্যবসার জন্যে।

1. লক্ষ্য নির্ধারন করুনঃ

যেকোনো ধরনের মার্কেটিং স্ট্রাটেজি এর প্রথম শর্ত হলো লক্ষ্য নির্ধারণ করা । এই Road Map খুবই প্রয়োজনীয় Reference যার মাধ্যমে আপনি এটা নিশ্চিত করতে পারবেন যে আপনার Facebook strategy সফলভাবে কাজ করছে কিনা।

কিন্তু আপনার লক্ষ্য স্থাপন এর আগে একটু Research করে নিতে হবে, যাতে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনার প্ল্যানটা এই প্লাটফর্ম এ কাজ করবে কিনা।  

২০১৮ সালের Sprout Social Index থেকে আমরা দেখলাম যে, ফেসবুকে মার্কেটাররা মাথায় কিছু লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করে-

  • ৩৪% মানুষ তাদের Brand awareness বৃদ্ধি করার কাজ করে।
  • ২১% চায় যে তারা যেন Community engagement বৃদ্ধি করতে পারে।
  • ১১% চায় তাদের Sales এবং Lead generation বৃদ্ধি করতে।

তাই আপনার যদি কোনো ফেসবুক Goal না থাকে, তাহলে আমাদের এই সার্ভে রেজাল্ট আপনার Goals তৈরি করতে কাজে আসবে ।

আর যদি আপনার কোম্পানির একটা সাধারণ Goal থাকেই তাহলে আপনি ভাবুন ফেসবুকে মার্কেটিং এর জন্যে কিভাবে আপনার প্ল্যান এর সাথে আপনার Goals কে overlap করবেন।  

      

আপনার লক্ষ্য Address করুনঃ  

এখানে আপনার ব্যবসার জন্যে বাৎসরিক কিছু Goals দেয়া হলো এবং তার সাথে সাথে আলোচনা করব যে Facebook strategy আপনার জন্যে কতটা Effective হতে পারেঃ

  • সেলস এর কোয়ালিটি বৃদ্ধিঃ যখন আপনার টার্গেট ভালো হবে তখন আপনার সেলস এর কোয়ালিটিও বৃদ্ধি পাবে। একটা সুসম্মত Facebook marketing strategy এর প্ল্যান এর মাধ্যমে আপনি আরো দ্রুত আপনার Target audience এর কাছে পৌছাতে পারবেন। কিন্তু প্লাটফর্মটা বড় দেখেই যে আপনি বড় কিছু পাবেন সেটা চিন্তা করা নেহায়েত ভুল। আপনি  যেটা সবচেয়ে ভালো জানেন সেটা নিয়ে কাজ করুন। আর ফেসবুক কে আপনার Audience reach এর উৎস হিসেবে কাজে লাগান।
  • আপনার Organization এ Value এড করুনঃ আসলে বলতে গেলে ফেসবুক হচ্ছে কাস্টমার বাড়ানো্, তাদেরকে সেবা প্রদান করার, সচেতনতা বাড়ানোর, এবং বেশি বেশি Resources প্রদান করার অন্যতম একটা প্লাটফর্ম। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন আপনার ফেসবুককে Go-to source of information হিসেবে গড়ে তুলতে।
  • Industry এর উপর ভালো আওতাঃ আপনার কম্পিটিটররা কি সবসময় আপনার থেকে এক ধাপ আগিয়ে থাকে ? Social media monitoring tools এর সাহায্যে আপনি ট্র্যাক করতে পারবেন, শুনতে পারবেন এবং রিপোর্ট করতে পারবেন সেইসব Social conversations যেগুলো আপনি সমাধান করতে চান।
  • বেশি বেশি Efficient Recruiting করাঃ কেউই বলে না যে Social recruiting কোনো সহজ ব্যাপার, কিন্তু এটা আপনার পপুলারিটি বাড়াতে পারে । Social মিডিয়া হচ্ছে সবচেয়ে ভালো উৎস Recruiting efforts বৃদ্ধি করার জন্যে এবং সেরা টেলেন্ট এর কাছে পৌছানোর জন্যে।
  • স্মার্টার গ্রোথঃ সফল ব্যবসা চালাতে হলে ব্যবসায় কিছু জিনিস প্রয়োগ করতে হয় যেমন Reducing churn, limiting spend এবং Increasing acquisition। আর ফেসবুক আপনাকে এই সবগুলো সুবিধা দিবে যাতে আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হয়ে উঠতে পারেন।  
  • প্রোগ্রেস ট্র্যাক করা:  অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে যে আপনি যেই লক্ষ্য নির্ধারন করেছেন সেগুলো সম্পন্ন করাটা খুবই জরুরী। আর Sprout এর মতো টুল দিয়ে আপনি খুব সহজে সব ট্যাবস আপনার ফেসবুকে ওপেন করতে পারবেন। যার ফলে আপনার পেজ এর কি প্রোগ্রেস হচ্ছে তা আপনি দেখতে পাবেন।  

2. আপনার ফেসবুক অডিয়্যান্সদের জানুনঃ 

আপনার কোন Facebook Marketing Strategies টা প্রয়োগ করা উচিত এবং তা কিভাবে কাজ করবে তা জানার জন্যে।

আপনার বোঝা উচিত কারা ফেসবুকে আছে এবং আপনার  চলতি Audience দের breakdown কেমন দেখাচ্ছে। আর এটা জানাটা খুবই প্রয়োজনীয় আপনার জন্যে।

যেমন Social media demographics এর জন্যে Sprout Social’s 2019 deep dive হচ্ছে একটা অন্যতম পন্থা।

যার মাধ্যমে Facebook Users Live, Languages Spoken, Education এবং আরো অনেক প্রয়োজনীয় ব্যাপারে কিছু সাধারণ ধারণা পাওয়া যায় ।

একবার যখন আপনি study করা শুরু করবেন আর কিছু সময় ব্যয় করবেন Facebook Page Insights অথবা Sprout এর উপর,

যাতে আপনার Facebook demographics এর মতো কিছু পেতে পারেন, তখন আমি বলব আপনি ঠিক দিকে আগাচ্ছেন।  

3. আপনার Audience দের সাথে Proactive থাকুনঃ

বেশিরভাগ Social Media Channels গুলো তাদের নেটওয়ার্ক তৈরি করে Converse, Discuss এবং কন্টেন্ট শেয়ারের মাধ্যমে।

একটি ব্র্যান্ড হিসেবে Social media network তৈরির বেসিক আইডিয়া গুলো আপনার কখনো ভোলা উচিত হবে না।

এর মানে হচ্ছে আপনাকে Conversation এবং Engagement এর কাজ সব সময় চালিয়ে যেতে হবে,

এটা আপনি পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন না।

আর তাই আপনি আপনার Audience দের জন্যে একটি কমিউনিটি তৈরি করার চেষ্টা করতে পারেন।

ইন্ডাস্ট্রির চ্যাট ও আলোচনার জন্যে ফেসবুক হচ্ছে সবচেয়ে ভালো জায়গা। যেখানে থাকবে বিভিন্ন ধরনের Audience এবং আপনার নিজস্ব কাস্টমাররা।

যদিও এদিক দিয়ে টুইটার অনেক ভালো আকর্ষন কেড়ে নিয়েছে, কিন্তু তবুও ফেসবুকের কথা ভুলে যাবেন না। 

যদি আপনি চান যে আপনার Facebook Engagement বৃদ্ধি পাক তাহলে আপনার নিজে থেকে মানুষকে বলতে হবে যাতে তারা আপনার সাথে সংযুক্ত হয়।

যাইহোক, আপনাকে বসে থাকলে চলবে না যে আপনার ফলোয়াররা কবে আপনার সাথে Interact করবে।

আপনি হয়তো সবার কাছে পৌছাতে পারবেন না, কিন্তু এখানে Engagement বাড়ানোর অনেক রাস্তা রয়েছে।   

উদ্বাহরণস্বরূপ, Zippo এইদিক দিয়ে অনেক ভালো কাজ করে থাকে ইউজারদের সাথে বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট এর মাধ্যমে অথবা আলোচনার মাধ্যমে interacting ক্ষেত্রে।

সঠিক সময়ে পোস্ট করা-

অরগানিক কন্টেন্ট এর ব্যবহারের জন্যে ফেসবুক এখনো সবচেয়ে কঠিন Social networks।

আবার পরিসংখ্যান এ বোঝা যায় যে সঠিক সময়ে পোস্ট করাটা এখন ব্যবসার জন্যে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। 

যাইহোক  আমরা আপনাদের Best time গুলো সম্পর্কে বলব, যে কখন পোস্ট করা উচিতঃ

  • যেকোনো পোস্ট করার জন্যে বুধবার হচ্ছে Highest recommended day।
  • ফেসবুকে বুধবারে ১১ a.m. থেকে ১ p.m. সবচেয়ে বেশি Engaged এর সময়।
  • সপ্তাহের প্রত্যেকদিন ৯ a.m. থেকে 3 p.m. এর মধ্যে পোস্ট করা উত্তম।
  • সপ্তাহের রবিবারে সবচেয়ে কম Engaged হয়ে থাকে।
  • সবচেয়ে কম Recommended সময়গুলো হচ্ছে Early Morning এবং Late Night।

4. Schedule করুন আপনার ফেসবুক কন্টেন্টঃ

যেকোনো Social Media Strategy এর জন্যে Content creation এবং curation খুবই গুরুত্বপূর্ন উপাদান। ফেসবুকে আপনার কাছে অনেক ধরনের পোস্ট করার সুযোগ থাকে।

যেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দ মতো বেছে নিতে পারবেন।

আর এগুলো স্টোরি থেকে ধরে স্ট্যাটাস সহ Group posts এ ও আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো স্টাইল ব্যবহার করতে পারবেন।

সিলেক্ট করা অপশনটা আপনার নির্দিষ্ট কন্টেন্ট এর জন্যে চলে আসবে যেটাতে আপনার Audience রা ইন্টারেস্টেড।

আর এই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই আপনার টেকনিকটা মুল্যায়ন করা উচিত যে, কোনটা আপনার ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্যে সবচেয়ে ভালো।

২০১৮ সালের ইন্ডেক্স Analyze করে দেখা হয়েছিল যে, কোন ধরনের পোস্টগুলো সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য।

যেখান থেকে আমরা জানতে পারি যে, ৩০% মানুষ কন্টেন্ট এ তথ্য চায় এবং ১৮% ছবি চায় আর ১৭% মানুষ ভিডিও কন্টেন্ট চায়।

এই একই রিপোর্ট থেকে জানা গেছে যে, কি প্রয়োজন Social Marketer দের সফল হওয়ার ক্ষেত্রে।

আর ফেসবুকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে পূর্বঅধিকার হচ্ছে ভিডিও কন্টেন্ট এবং এড । আর Scheduling Content এর ক্ষেত্রে, আপনার কাছে ফ্রি অথবা পেইড দুটো অপশনই রয়েছে।

Facebook’s Page Controls আপনাকে নিজের পেজ থেকে আপনার পোস্ট গুলো Schedule করার অনুমতি দেয়।

আপনার ক্যালেন্ডার Scheduling এবং Planning করার মাধ্যমে আপনি আপনার কাজ গুলোকে আরো সহজ করতে পারবেন।

ফলে আপনি খেয়াল করতে পারবেন, আপনার পোস্টের কোথায় কি কমতি আছে। আর টুলস ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার অনেক সময় বাঁচাতে পারবেন।

5. আপনার Facebook ads strategy নির্ধারন করুনঃ

Audience এবং ব্র্যান্ডের বিশ্বস্ততা বাড়ানো কোনো একরাতের কথা না। এটা আপনার নিজ প্রচেষ্টায় অর্জন করতে হবে।

কিন্তু এখানে একটা সর্টকাট আছে যার মাধ্যমে আপনি ভালই Faster–Social Media advertising করতে পারবেন।

বিশেষভাবে ফেসবুক এ ৪ মিলিয়নের উপর এডভারটাইজার রয়েছে যাদের গড় ক্লিক রেট ৯%। ফেসবুকে Advertising অনেকটা সিম্পল কিন্তু সহজ নয়।

Higher Brand Awareness এর জন্যে লক্ষ্য-

আপনার ফেসবুক এড ক্যাম্পেইনের সময় দুটো জিনিস ফোকাস করতে হবেঃ

  1. Cost Effective
  2. Relevant

আপনার ফেসবুকের এডগুলো অবশ্যই Relevant হতে হবে। একটা Broad Audience টার্গেট করা কোনো খারাপ কিছুনা।

কিন্তু প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে যে আপনার Awareness তৈরীর জন্যে কোনটা ভালো কাজ করছে । যাইহোক, Relevance খুবই গুরুত্বপূর্ণ  ফেসবুক এড এর জন্য।

ফেসবুক এড এর থেকে ভালো সাড়া পেতে আপনাকে অবশ্যই ভালো একটি কন্টেন্ট টপিক বেছে নিতে হবে।

যেইসব জিনিস আপনার এড এর কন্টেন্ট এ থাকা উচিত-

  • Identity:  আপনার ব্র্যান্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত অথবা আপনার প্রোডাক্ট ও সার্ভিস দেখাচ্ছেন তো? আপনার লোগো এবং বিজনেস এর রঙ সঠিকভাবে দেখাচ্ছে তো?
  • Reward: Viewers এখান থেকে কি পাবে? এটা কি কোনো ডিল, প্রমোশন, অফার কোড, Whitepaper অথবা Industry guide?
  • Tone: আপনার কন্টেন্ট কি আপনার পুরো ফেসবুক পেজ সম্পর্কে একই Tone বজায় রাখছে?
  • Action: আপনার কন্টেন্ট এর অবশ্যই একটা Action থাকতে হবে, যা আপনার ফেসবুক এর লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।  

আপনার ফেসবুক এড কন্টেন্টকে পরিষ্কার রাখুন।আপনি আপনার এডকে যতো ভালোভাবে গুছিয়ে পরিবেশন করতে পারবেন আপনার কন্টেন্ট ততো গ্রহনযোগ্যতা পাবে।

তাই একে আকর্ষণীয় করে তুলুন কিন্তু হযবরল যেনো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

আপনার Core Metrics এর জন্যে একটা স্প্রেডসিট ও ডকুমেন্ট তৈরি করুন ।

প্রত্যেক Metric আপনাকে Unique Insight এর সু্বিধা দিবে যা আপনি আপনার ফেসবুক এড এর মাধ্যমে অর্জন করতে চান।

  • Click-Through Rate: যদি ট্রাফিক খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে থাকে, তাহলে আপনার CTR ট্র্যাক করুন এবং দেখুন কোথায় ইম্প্রুভ করা প্রয়োজন।
  • Impressions: আপনি কি আপনার Visibility নিয়ে সমস্যায় আছেন? আপনার ছবি আর কন্টেন্ট গুলোতে পুনরায় ভিজিট করুন এবং দেখুন কোন জিনিসটা আপনার Impressions বাড়াতে সাহায্য করবে।
  • Cost to Acquire: যদি আপনার উদ্দেশ্য থাকে কম খরচের তাহলে খরচ ট্র্যাক করুন এবং আপনার সাপ্তাহিক ও মাসিক লক্ষ্য অর্জন করুন।

6.  Employee দের Publicity এর মাধ্যমে উৎসাহিত করাঃ

আপনার Employee রাই আপনার জন্যে সবচেয়ে বড় Cheerleaders। Sprout Brands এর রিয়েল রিপোর্ট থেকে পাওয়া তথ্যে।

৭২% মানুষ রিপোর্ট করে যে তারা Employee দের শেয়ার করা তথ্যের কারনে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সাথে আরো বেশি কানেক্টেড হয়।

আপনার Employees আপনার জন্য একটি মুল্যবান সম্পদ, কারন যখন ব্যাপারটা Messaging Amplification অথবা, Social Selling এবং Authentic Engagement এর তখন এরাই আপনার সবচেয়ে বেশি কাজে আসে।

Industry Influencer দের মতো Social এ এদের services ও ফ্রি।

Bambu এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে কন্টেন্ট Curate করতে পারবেন আপনার employee দের জন্য।

এবং ট্র্যাক করতে পারবেন আপনার Advocacy Program’s Performance।

যখন কথা আসে Employee Advocacy এর, তখন CEO এর কথা অবশ্যই মাথায় রাখুন।

ওই একই রিপোর্ট এ দেখা যায়, ৭০% মানুষ আপনার ব্র্যান্ডের সাথে বেশি কানেক্টেড থাকে যখন CEO, Social Media তে এক্টিভ থাকে।

7. Track & Analyze Your Results:

আপনার Strategy এর সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে আপনার Metrics এর উপর চোখ রাখা যা আপনি আপনার সাজানো লক্ষ্য থেকে দেখতে পাবেন এবং এর পরের কাজ হল ফলাফল analyze করা।

আর এর মধ্যে আপনার ROI নির্ধারণ করাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। Sprout এর মাধ্যমে আপনার ফেসবুকের ডাটা Analysis এর কাজ হতে পারে আরো সহজ।

আপনার Page Impressions দ্রুততার সাথে নির্ধারন করা, Fan Growth এবং Intuitive ব্যবহার করে আপনার ফেসবুক কন্টেন্ট কেমন কাজ করছে।

Interactive reports ডাউনলোড করার সাথে সাথে শেয়ার করতে পারা ইত্যাদি কাজ সেকেন্ডের মধ্যে stakeholders এর মাধ্যমে করা যায়।

এবং আপনি যা Analysis করছেন তা আপনার কম্পিটিটরের সাথে মিলিয়ে দেখতে ভুলবেন না কিন্তু ।

আপনি Sprout এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার Performance আপনার ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য কম্পিটিটরের ডাটার সাথে তুলনা করে দেখতে পারবেন।

এবং এর ফলে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনার Facebook Marketing Strategy সঠিক দিকে আগাচ্ছে কিনা।

Conclusion

সম্ভবত আপনাদের এটা বলার প্রয়োজন নেই যে; “Mastering Facebook Marketing” ২০২০ এ যেকোনো ব্র্যান্ডের জন্যে সফলতা নিয়ে আসবে ।

আমরা সবাই জানি যে, ফেসবুকে বিশাল পরিমাণে Audience রয়েছে। বলতে গেলে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন মানুষ এটা প্রত্যেক মাসে ব্যবহার করে থাকে।  

কিন্তু আমার মনে হয় আপনি এটা জানেন না যে, মানুষ বিভিন্ন ব্যবসার সাথে সংযুক্ত থাকতে আসলে প্রায় কতক্ষন ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে ।

উদ্বাহরণস্বরূপ, দুই-তৃতীয়াংশ ফেসবুক ইউজাররা বলে থাকেন যে তারা কমপক্ষে সপ্তাহে একবার হলেও Local Business Facebook Page গুলো ঘুরে দেখেন।

উপরোক্ত এই সাতটা ধাপের মাধ্যমে, আপনি আজই একটি ভালো Facebook Marketing Strategy শুরু করে দিতে পারেন। আর আপনাদের যদি আরো কিছু জানার প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের জানান।  

সংগৃহীত: https://sproutsocial.com/insights/facebook-marketing-strategy/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *